১০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট (1989-1990) - সমাধান
বিষয়: সব বিষয় একত্রে
তারিখ: 01-01-1989
- পর্তুগিজ ভাষা হতে(✓)
- আরবি ভাষা হতে
- দেশি ভাষা হতে
- ওলন্দাজ ভাষা হতে তথ্য
পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দঃ পাদ্রী, বালতি, আনারস, চাবি, আলপিন, পাউরুটি, গির্জা, গুদাম, আলমারি।
- মূমুর্ষু
- মুমূর্ষু(✓)
- মূমূর্ষ
- মুমূর্ষ
ষত্ব বিধি অনুসারে ই - স্বর ও উ - স্বরের পর ইচ্ছা অর্থে সন প্রত্যয়ের স পরিবর্তিত হয়ে প্রত্যয়ান্ত শব্দে 'ষ' হয়। যেমন - মুমূর্ষু।
- শব পোড়া
- মড়া দাহ
- শবদাহ(✓)
- শবমড়া
তৎসম শব্দের সাথে দেশীয় শব্দের প্রয়োগে কখনো কখনো গুরুচণ্ডালী দোষ সৃষ্টি হয়। এ দোষে দুষ্ট শব্দ তার যোগ্যতা হারায়।
শব পোড়া = শব (তৎসম শব্দ) + পোড়া (দেশি শব্দ)
মড়া দাহ = মড়া (দেশি শব্দ) + দাহ (তৎসম শব্দ)
শবমড়া = শব (তৎসম শব্দ)+ মড়া (দেশি শব্দ)
অতএব, খুবই সহজেই বুঝা যাচ্ছে শবদাহ গুরুচণ্ডালী দোষমুক্ত।
- জসীমউদ্দীন
- কাজী নজরুল ইসলাম
- মুনীর চৌধুরী(✓)
- দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
'কবর' নাটকের রচয়িতা নাট্যকার মুনীর চৌধুরী।'৫২ এর ভাষা আন্দোলনের উপর ভিত্তি করে নাটকটি রচিত। ১৯৫৩ সালে তিনি জেলে বসে নাটকটি রচনা করেন।
- কারো পৌষ মাস, কারো সর্বনাশ
- চাল না চুলো, ঢেঁকী না কুলো
- সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে(✓)
- বোঝার উপর, শাকের আঁটি
'কারো পৌষমাস কারও সর্বনাশ' অর্থ কারও সুদিন কারও দুর্দিন।
'চাল না চুলো, ঢেকী না কুলো' অর্থ নিতান্ত গরিব।
'বোঝার উপর শাকের আটি' অর্থ অতিরিক্তের অতিরিক্ত।
- দুর্বলবশত অনাথিনী বসে পড়ল
- দুর্বলতাবশতঃ অনাথিনী বসে পড়ল
- দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল(✓)
- দুর্বলবশত অনাথা বসে পড়ল
অনাথ শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ অনাথা। বর্তমান বানান রীতি অনুসারে শব্দের শেষে 'ঃ' বসে না। তাই 'দুর্বলতাবশতঃ' এর শুদ্ধরূপ 'দুর্বলতাবশত'।
- বিভক্তি
- ধাতু(✓)
- প্রত্যয়
- কৃৎ
বাক্যস্থিত একটি শব্দের সঙ্গে অন্য শব্দের অন্বয় সাধনের জন্য শব্দের সঙ্গে যে সকল বর্ণ যুক্ত হয়, তাদের বিভক্তি বলে। ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয় ধাতু। যেমন- করা এর ধাতু কর; পড়া এর ধাতু পড়। যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা প্রাতিপাদিকের পর যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাকে প্রত্যয় বলে। প্রত্যয় দুই প্রকার কৃৎ প্রত্যয় ও তদ্ধিত প্রত্যয়। ক্রিয়াবাচক শব্দের সাথে যুক্ত হয় কৃৎ প্রত্যয়।
- রত্না + কর
- রত্ন + কর
- রত্না + আকার
- রত্ন + আকর(✓)
অ-কার কিংবা আ-কারের পর অ-কার কিংবা আ- কার থাকলে উভয়ে মিলে আ-কার হয়। আ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। অ + আ =আ। (রত্ন
- পাকা পাকা আম(✓)
- ছি ছি, কি করছ
- নরম নরম হাত
- উড়ু উড়ু মন
বহুবচন নির্দেশকঃ
তীব্রতা বা সঠিকতা বোঝাতেঃ গরম গরম জিলাপী, নরম নরম হাত।
সামান্যতা বোঝাতেঃ উড়ু উড়ু ভাব।
ভাবের গভীরতা বোঝাতেঃ ছি ছি, তুমি এ কি করছ?
- যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
- অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট(✓)
- নাচতে না জানলে উঠোন ভাঙ্গা
- যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
“অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট” প্রবচন বাক্য ব্যবহারিক দিক হতে সঠিক।
বাকি গুলো হবে- যত গর্জে তত বর্ষে না, নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা এবং যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই সন্ধ্যা হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর(✓)
- বিষ্ণু দে
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
- বুদ্ধদেব বসু
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সর্বপ্রথম টিএস এলিয়টের কবিতা বাংলায় অনুবাদ করেন। এ দেশের কবিদের আধুনিক কবিতার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য তিনি এ অনুবাদ করেছিলেন।
বিষ্ণু দে ১৯৫০ সালে এলিয়টের কবিতা অনুবাদ করেন।
টি এস এলিয়ট এর The Journey of the Magi কবিতার অনুবাদ করা হয়েছিলো।
বুদ্ধদেব বসুও টিএস এলিয়টের কবিতার অনুবাদ 'এলিয়টের কবিতা' নামে প্রকাশ করেন।
- অগ্রপথিক
- বিদ্রোহী
- প্রলয়ােল্লাস(✓)
- ধূমকেতু
'অগ্নিবীণা' কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এতে মোট ১২টি কবিতা রয়েছে। 'প্রলয়োল্লাস' কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা, 'বিদ্রোহী' কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা, 'রক্তাম্বরধারিনী মা' তৃতীয় কবিতা।
- কবিতার নাম
- গল্প সংকলনের নাম
- উপন্যাসের নাম(✓)
- কাব্য সংকলনের নাম
'শেষের কবিতা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস। এর প্রধান চরিত্র হলো অমিত, লাবণ্য, কেতকী রায়।
- তিনিই সমাজের মাথা
- মাথা খাটিয়ে কাজ করবে(✓)
- লজ্জায় আমার মাথা কাটা গেল
- যে মাথা নেই আবার মাথা ব্যথা
অবহেলা অর্থে : মাথা নেই আবার মাথা ব্যথা। মোড়ল/প্রধান অর্থে : তিনিই সমাজের মাথা। বুদ্ধি অর্থে : মাথা খাটিয়ে কাজ করবে। সম্মানহানি অর্থে: লজ্জায় মাথা কাটা গেল।
- নিখুঁত
- আনমনা
- অবহেলা
- নিমরাজি(✓)
নিখুঁত- এখানে নি বাংলা উপসর্গ; আনমনা এখানে আন বাংলা উপসর্গ: অবহেলা-এখানে অব তৎসম উপসর্গ। নিমরাজী-এখানে নিম ফারসি উপসর্গ।
- শামসুর রাহমান
- আলতাফ মাহমুদ
- হাসান হাফিজুর রহমান
- আব্দুল গাফফার চৌধুরী (✓)
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' বিখ্যাত এ গানটি মূলত সাংবাদিক আব্দুল গাফফার চৌধুরী রচিত একটি কবিতা। কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি' (১৯৫৩) গ্রন্থে। পরে এটি গানের রূপ নেয়। গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আব্দুল লতিফ। বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ। প্রথম পর্যায়ে গানটির শিল্পী ছিলেন আব্দুল লতিফ, বর্তমানে সমবেত কণ্ঠে গাওয়া হয়।
- চাঁদ (✓)
- সূর্য
- নক্ষত্র
- গগন
এখানে সূর্য, গগন, নক্ষত্র তৎসম শব্দ আর চাঁদ তদ্ভব শব্দ। যেসব শব্দের মূল সংস্কৃত শব্দে পাওয়া যায়, কিন্তু ভাষার স্বাভাবিক বিবর্তন ধারায় প্রাকৃতের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে, সেসব শব্দকে তদ্ভব শব্দ বলে। যেমন- সংস্কৃত-হস্ত > প্রাকৃত-হথু > তদ্ভব-হাত।
- কেশব চন্দ্র সেন
- গিরীশচন্দ্র সেন (✓)
- মওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী
- মওলানা আকরম খাঁ
ভাই গিরিশচন্দ্র সেন ১৮৮১-৮৬ পর্যন্ত ছয় বছরের সাধনা ও পরিশ্রমে টীকাসহ কুরআন শরীফের প্রথম বঙ্গানুবাদ করেন। ১৮৩৫ সালে নারায়ণগঞ্জ জেলার পাঁচদোনা গ্রামে জন্মগ্রহণকারী গিরিশচন্দ্র সেন ১৮৭১ সালে ব্রাহ্ম ধর্মে দীক্ষা লাভ করেন। তিনি মিশকাত শরীফের অধিকাংশ হাদিস, তাজকেরাতুল আউলিয়া সহ আরো কয়েকটি ইসলামি গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ করেন।
- would come
- would have come(✓)
- may have come
- may come
If যুক্ত clause-টিতে past perfect tense থাকলে অন্য clause-এ would/could/might + have + verb (pp) form হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর (খ)।
- strong attack
- severe attack(✓)
- serious attack
- bad attack
strong- প্রবল, শক্তিশালী। কিন্তু এ শব্দটি সাধারণত ব্যক্তির সাথে কিংবা ব্যক্তিবাচক দোষ-গুণের সাথে বসে থাকে। আবার severe- কঠোর, প্রবল, প্রচণ্ড, তীব্র (এ শব্দটি বিশেষ ভাবে আবহাওয়াগত বৈশিষ্ট্য ও রোগের তীব্রতা প্রকাশে ব্যবহৃত হয়)। আবার serious- গম্ভীর, রাশভারী, চিন্তাশীল। শব্দটির ২নং অর্থ হচ্ছে গুরুতর, সঙ্গীন ইত্যাদি। শব্দটির সাথে রোগ বা এ বিষয়ের কোন সংযুক্তি নেই। bad- মন্দ, দুষ্ট, খারাপ, অন্যায়। অর্থগত বৈশিষ্ট্য থেকে লক্ষণীয় যে, শব্দটি অসুখের তীব্রতা প্রকাশ অক্ষম। সুতরাং সঠিক উত্তর (খ)।
- I asked Javed had he passed
- I asked Javed if he had passed(✓)
- I asked Javed if you had passed
- I asked Javed that had he passed
আমি জাবেদকে জিজ্ঞাসা করলাম যে, সে পাস করেছে কি না'
বাক্যটিতে দুটি Clause রয়েছে–
(1) I asked Javed.
(2) He had passed.
উভয়কে যুক্ত করার জন্য if শব্দটি connector হিসেবে বসেছে। এখন
- A few of the three boys got a prize
- Each of the three boys got a prize(✓)
- Every of the three boys got a prize
- All of the three boys got a prize
(ক) গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ a few অর্থ মাত্র কয়েকজন; এরপর the three boys অর্থ দাঁড়ায় তিনজনের মাত্র কয়েকজন তাই choice টি অগ্রহণযোগ্য। (খ) Each of the three boys ৩ জনের প্রত্যেকে। এটি নেয়া যেতে পারে। (গ) Every of the three boys বালক তিনটির সকলে/সবাই (১টি পুরস্কার পেল)। কিন্তু সবাই মিলে তো ১টি পুরস্কার পাওয়া যায় না। তাই এটি সঠিক নয়। (ঘ) All of the three boys' choice টিও সঠিক কিন্তু বাক্যের শেষে a prize থাকায় বর্জনীয়। কারণ তারা তিনজন মিলে ১টি পুরস্কার পায় না। সুতরাং সঠিক উত্তর (খ)।
- The man that said that was a fool
- The man who said that was a fool(✓)
- The man that said that was a fool
- The man which said that was a fool
ঐ লোকটি {যে উহা (that) বলেছে} ছিল একজন বোকা অর্থে। Who ব্যাবহার করা হয়েছে ‘যে ব্যাক্তি’ বোঝানোর জন্যে। তাই সঠিক উত্তর (খ)।
- Till lunch time
- Till he came(✓)
- Until 6 O’clock
- Since this morning
Till অর্থ পর্যন্ত, যাবৎ। ‘ও আসা পর্যন্ত’ বোঝাতে ব্যাবহার হয়েছে।
- in
- at(✓)
- about
- with
কোনো বিষয়ে ভালো বা দক্ষ হলে হয় Good at. তদ্রুপ কোনো বিষয়ে খারাপ হলে সেক্ষেত্রে হয় bad at. তাই সঠিক উত্তর খ
- Harsh
- Clever
- Modest
- Rude(✓)
Gentle – ভদ্র, নম্র, শান্ত। choice, (ক) Harsh – কর্কশ, অমসৃণ (বিশেষত বস্তুর সাথে)। (খ) Modest – বিনয়ী, নম্র। (গ) Clever – চতুর, চালাক। (ঘ) Rude – অভদ্র, অমার্জিত, রুঢ়। অতএব সঠিক উত্তর (ঘ)।
- Jolly
- Gay(✓)
- Jealous
- Happy
Jovial - হাসিখুশি, আমুদে, আনন্দপূর্ণ, আনন্দচিত্ত। choice (ক) Jolly – প্রফুল্ল, সুন্দর। (খ) Gay – আনন্দচিত্ত, হাসিখুশি, প্রফুল্ল। (গ) Jealous – ঈর্ষাকাতর, হিংসুক, পরশ্রীকাতর। (ঘ) Happy – সুখী, সন্তুষ্ট।
- Circumspect
- Discrete
- Capable(✓)
- Prudent
Competent উপযুক্ত, সক্ষম, দক্ষ। choice, (ক) Circumspect - সতর্ক। (খ) Discrete পৃথক, আলাদা। (গ) Capable – সক্ষম, সমর্থ। (ঘ) Prudent - সতর্ক, দুরদর্শী, বিচক্ষণ। কাজেই সঠিক উত্তর (গ)।
- H.G. Wells
- George Orwell
- Thomas Hardy
- Ernest Hemingway(✓)
Ernest Hemingway 'A Farewell to Arms' উপন্যাসটি লেখেন। এ উপন্যাসে যুদ্ধাবস্থায় নরনারীর প্রেমের সংকটকে ব্যাপকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়।
- Thomas More
- George Orwell(✓)
- Boris Pasternak
- Charles Dickens
Eric Arthur Blair (1903-1950)-এর pen name ছিল George Orwell. তিনি ভারতের বর্তমান বিহারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। পরে তিনি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব লাভ করেন। তার উল্লেখযোগ্য অবদান হলো 'Animal Farm' (1945) ও 'Nineteen Eighty-Four' (1949) নামের দুটি উপন্যাস।
- Mahatma Gandhi
- J.L. Nehru
- Abul Kalam Azad(✓)
- Moulana Akram Khan
'India Wins Freedom' আবুল কালাম আজাদ রচিত একটি ঐতিহাসিক গ্রন্থ। তিনি এ গ্রন্থে ব্রিটিশ আমলে ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন সমস্যা, ঘটনা এবং কিভাবে, কখন ভারত স্বাধীনতা অর্জন করে তা বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছেন।
- Proper
- Common
- Collective(✓)
- Material
Cattle গবাদি পশু (একত্রে সকল ধরনের পশু, গরু, ছাগল, মহিষ ইত্যাদি)। অতএব এটি একটি Collective Noun বা সমষ্টিবাচক বিশেষ্য। সুতরাং সঠিক উত্তর (গ)।
- Proper
- Common(✓)
- Collective
- Material
Girl – মেয়ে। এখানে Girl কোন বিশেষ মেয়েকে না বুঝিয়ে সাধারণভাবে সকল মেয়েকে বোঝায়। সুতরাং এটি একটি Common Noun. অতএব সঠিক উত্তর (খ)।
- An elephant of white colour
- A black marketer
- A very costly or troublesome possession(✓)
- A hoarder
White Elephant অর্থাৎ অনেক দামী এবং দুর্লভ বস্তু
- ১৭ই এপ্রিল, ১৯৭১(✓)
- ২৬শে মার্চ, ১৯৭১
- ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
- ১০ই জানুয়ারি, ১৯৭১
মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে গঠন করা হয়, এরপর তৎকালীন ভবেরপাড়ার বৈদ্যনাথতলার (বর্তমান মুজিবনগরের) আম্রকাননে ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে সরকার শপথ গ্রহণ করে। এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ গণপরিষদের ক্ষমতাবলে ও তদধীনে যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী। তিনিই ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন।
- ১৭ই এপ্রিল, ১৯৭১
- ১৬ই ডিসেম্বর, ১৯৭২(✓)
- ৭ই মার্চ, ১৯৭২
- ২৬শে মার্চ, ১৯৭৩
১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এ অধিবেশনে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি সংবিধান কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটির সভাপতি ছিলেন আইন ও সংসদীয় মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন। এ কমিটির দায়িত্ব ছিল সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন করা। কমিটি ৭১টি অধিবেশনে মিলিত হয়ে স্বীয় দায়িত্ব পালন করে এবং ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদে সংবিধানের খসড়া পেশ করে, যা ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
- মহাস্থানগড়ে(✓)
- শাহজাদপুরে
- নেত্রকোনায়
- রামপালে
বিখ্যাত 'শাহ সুলতান বলখী মাহীসাওয়ার' ক্ষত্রীয় নরপতি পরশুরামকে পরাজিত করে এখানে ইসলামের বিজয় পতাকা উড্ডীন করেন। তাঁর মাজারটি বগুড়া শহর থেকে ১০ কিমি দূরে মহাস্থানের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে অবস্থিত। মহাস্থানগড়ের প্রধান নিদর্শনগুলো হলো বৈরাগী ভিটা, গোবিন্দ ভিটা, খোদাই পাথর ভিটা, সভাবাটি, শীলা দেবীর ঘাট, পরশুরামের প্রাসাদ ইত্যাদি।
- চট্টগ্রামে
- বগুড়ায়
- সােনারগাঁয়ে(✓)
- রাঙ্গামাটিতে
বাংলাদেশের লোকশিল্পের অতীত কীর্তি মাটির পাত্র, বেত, কাঁসা মসলিন বহু, তৈজসপত্র ইত্যাদি) সংরক্ষণের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনা্রগাও এ লোকশিল্প জাদুঘর করা হয়েছে। ১৯৯৬ সালের ৬ অক্টোবর সোনারগাঁও লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের নাম পরিবর্তন করে ‘শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন ‘ জাদুঘর করা হয়েছে।
- ইংরেজরা
- ওলন্দাজরার
- ফরাসিরা
- পর্তুগিজরা(✓)
পঞ্চদশ শতকের শেষভাগে পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দাগামা আফ্রিকার পশ্চিম-পূর্ব উপকূল ঘুরে বরাবর সমুদ্রপথে ভারতবর্ষে আসার পথ আবিষ্কার করেন। ১৫১৪ খ্রিস্টাব্দে পর্তুগিজ বণিকগণ উড়িষ্যার অন্তর্গত পিপলি নামক স্থানে সর্বপ্রথম বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে। ১৫১৭ খ্রিস্টাব্দে জো-ডি-সিলভেরা নামক জনৈক পর্তুগিজ সমর অধিনায়ক এক নৌবহর নিয়ে চট্টগ্রামে আসেন ও বাণিজ্য কুঠি স্থাপনের চেষ্টায় ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে মুনো-দা-কুনহা নামক জনৈক পর্তুগিজ শাসনকর্তা বাংলায় বাণিজ্য কুঠি স্থাপনের চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকেন। ১৫৩৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলার সুলতান মাহমুদ শাহ শের শাহের বিরুদ্ধে পর্তুগিজদের সাহায্যের আশায় চট্টগ্রাম ও সপ্তগ্রামে (হুগলি) বাণিজ্য কুঠি নির্মাণের অনুমতি দেন। এভাবে বাংলায় পর্তুগিজদের আগমন হয়। উল্লেখ্য, ১৬০০ সালে ইংরেজরা, ১৬০২ সালে ওলন্দাজরা এবং ১৬৬৪ সালে ফরাসিরা বাংলায় আগমন করেন।
- লক্ষ্মণ সেন
- ইলিয়াস শাহ
- আকবর(✓)
- বিজয় সেন
কৃষিকাজের সুবিধার্থে মোগল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০/১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন এবং তা ১৫৫৬ সালের ৫ নভেম্বর তার সিংহাসনে আরোহণের সময় থেকে কার্যকর হয়।
- সােমপুর বিহার(✓)
- ধর্মপাল বিহার
- জগদ্দল বিহার
- শ্ৰী বিহার
নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত বৌদ্ধ বিহারের নাম পাহাড়পুর বা সোমপুর বিহার। এর নির্মাতা ধর্মপাল ছিলেন পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা। এটি মধ্যযুগীয় সবচেয়ে বড় বিহার।
- বিজয়পুরে(✓)
- রাণীগঞ্জে
- টেকেরহাটে
- বিয়ানী বাজারে
পাকিস্তান ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (বর্তমান বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর) ১৯৫৭ সালে নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার তেদিকুরা নামক স্থানে প্রথম চীনামাটির সন্ধান লাভ করে। এ চীনামাটিকে বিজয়পুর চীনামাটি নামকরণ করা হয়।
- ১৮৯৭ সালে
- ১৯০২ সালে
- ১৯২১ সালে(✓)
- ১৯০৫ সালে।
বঙ্গভঙ্গ রদ হলে ব্রটিশরা পূর্ববঙ্গে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয় এবং একদা ১৯১২ সালে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট মাখ্যান কমিশন গঠিত হয়। ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি দান করেন। কোলকারার হিন্দুদের কেবিরোধিতা সত্ত্বেও ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চালু হয় এবং পরবর্তীতে এটি অক্সফোর্ড নামে খ্যাতি অর্জন করে।
- শায়েস্তা খান
- নওয়াব সলিমুল্লাহ
- মির্জা আহমেদ জান(✓)
- খান সাহেব আবুল হাসনাত
পুরনো ঢাকার আরমানিটোলা এলাকায় তারা মসজিদ অবস্থিত। মসজিদটি নির্মাণ করেন মির্জা আহমদ জান বা মির্জা গোলাম পীর। পরবর্তী ১৯২৬ সালে আলীজান বেপারী নামক একজন ব্যবসায়ী মসজিদটির সংস্কার করেন। আলীজান বেপারী বহু অর্থ ব্যয়ে মসজিদটিকে অলঙ্কৃত করেন, বিশেষ করে সমস্ত মসজিদটি তারকাখচিত করেন। এ কারণে এর বর্তমান নাম তারা মসজিদ।
- দু'টি উন্নত জাতের গমশস্য(✓)
- দু'টি উন্নত জাতের ধানশস্য
- দু'টি উন্নত জাতের ভুট্টাশস্য
- দু'টি উন্নত জাতের ইক্ষু
বলাকা ও দোয়েল ছাড়াও উন্নতজাতের আরো কিছু গম শস্য হলো সোনালিকা, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত, অগ্রণী, ইনিরা ৬৬, জোপটেকো।
- পেয়ারা
- কলা(✓)
- পেঁপে
- জামরুল
অগ্নিশ্বর, কানাইবাসী, মোহনর্বশী ও বীটজবা উন্নত জাতের কলার নাম।এছাড়াও বাংলাদেশে আরো কিছু জাতের কলার চাষ হয়, যেমন- অমৃতসাগর, মেহেরসাগর, সবরি, সিঙ্গাপুরী, চাঁপা ইত্যাদি।
- ১৭০০ সালে
- ১৭৭২ সালে
- ১৭৬৫ সালে
- ১৭৯৩ সালে(✓)
লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৮৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭৯৩ সালের ১০ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলায় ফোর্ট উইলিয়ামের গভর্নর জেনারেল ছিলেন। তিনি ছিলেন চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ও বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রশাসনিক ও বিচার ব্যবস্থার রূপকার। ১৭৯৩ সালের ২২ মার্চ তিনি চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা চালুর মাধ্যমে সূর্যাস্ত আইন বলবৎ করেন।
- বাবর
- হুমায়ুন(✓)
- আকবর
- জাহাঙ্গীর
সম্রাট বাবরের পুত্র নাসিরউদ্দিন মুহাম্মদ হুমায়ুন ১৫৩০ সালে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন। তিনি ১৫৩৮ সালে গৌড় জয় করেন এবং ৮ মাস বাংলায় অবস্থান করেন। তিনি বাংলার প্রকৃতি, আবহাওয়া, সম্পদে অভিভূত হয়ে এর নাম দেন 'জান্নাতাবাদ'।
- ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার
- ড. মাহমুদ হাসান
- ড. সৈয়দ মােয়াজ্জেম হােসেন
- স্যার এ. এফ. রহমান(✓)
উপমহাদেশীয়দের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন স্যার আহমদ ফজলুর রহমান বা স্যার এ এফ রহমান (১৮৮৯-১৯৪৫)। তিনি ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে রিডার হিসেবে নিযুক্ত হন। ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন।
- শামীম সিকদার
- সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ
- হামিদুজ্জামান খান(✓)
- আবদুস সুলতান
১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিকের পার্কে হামিদুজ্জামান খানের 'স্টেপস্' ভাস্কর্যটি স্থান পেয়েছিল। হামিদুজ্জামান খানের উল্লেখযোগ্য স্থাপত্য হলো 'সংশপ্তক' (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়), 'স্বাধীনতা' (কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, ঢাকা) এবং 'ক্যাম্পাস' (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।)
- ১২০৬ খ্রিঃ
- ১৩১০ খ্রিঃ
- ১৫২৬ খ্রিঃ
- ১৬১০ খ্রিঃ(✓)
সম্রাট জাহাঙ্গীর সিংহাসনে আরোহণ করে ইসলাম খান চিশতীকে বাংলা অধিকারে প্রেরণ করেন। তিনি ১৬১০ সালে মুসা খানকে পরাজিত করে ঢাকা অধিকার এবং ঢাকার নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর’। এ সময় রাজমহল থেকে ঢাকায় রাজধানী স্থানান্ত্র করেন। উল্লেখ্য, ঢাকাকে ১৬১০ পর ১৯০৫ সালে দ্বিতীয়বার, ১৯৪৭ সালে তৃতীয় ও ১৯৭১ সালে চতুর্থ বার রাজধানী করা হয়।
- নিঝুম দ্বীপ
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ
- দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ(✓)
- কুতুবদিয়া দ্বীপ
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ সাতক্ষীরা দক্ষিণে হাড়িয়াভাঙ্গা ও রায়মঙ্গল নদীর মোহনায় অবস্থিত। দ্বীপটি বাংলাদেশের অবস্থিত হলেও এ দ্বীপের মালিকানা করে। ভারত এ দ্বীপের নাম দেয় পূর্বাশা বা নিউমুর। বর্তমানে দ্বীপটির অস্তিত্ব নেই।
- ১৯৮৪ সালে
- ১৯৮৭ সালে
- ১৯৮৫ সালে(✓)
- ১৯৮৬ সালে
দক্ষিণ এশীয় সহযোগিতা সংস্থা সার্ক-এর প্রথম শীর্ষ বৈঠক ১৯৮৫ সালের ৭-৮ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ১৯তম সম্মেলন পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত করা হয়।
- ইরাক (✓)
- আলজেরিয়া
- সৌদি আরব
- জর্ডান
আরব রাষ্ট্রগুলাের মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় ইরাক (৮ জুলাই ১৯৭২)। আলজেরিয়া বংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৩ জুলাই ১৯৭৩ এবং সৌদিআরব স্বীকৃতি দেয় ১৬ আগস্ট ১৯৭৫।
- তিউনিস
- রাবাত
- বেনগাজী
- মরক্কো
বর্তমানে পিএলও'র সদর দপ্তর ফিলিস্তিনের রামাল্লায় অবস্থিত। ইসরাইল ১৯৬৪ সালে PLO'র উপর হামলা চালালে এর সদর দপ্তর তিউনিসিয়ার তিউনিসে স্থানান্তর করা হয়েছিল।
- উ থান্ট
- ট্রিগভেলি(✓)
- দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
- কুট ওয়াল্ডহেইম
জাতিসংঘের নির্বাচিত প্রথম মহাসচিব হলেন ট্রিগভেলি (১৯৪৬-১৯৫৩)। তিনি নরওয়ের অধিবাসী। দ্যাগ হ্যামারশোল্ড, উ থান্ট ও কুট ওয়াল্ডহেইম যথাক্রমে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ মহাসচিব ছিলেন। উল্লেখ্য, জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনিও গুতেরেস (০১.০১.২০১৭-বর্তমান)।
- ফিলিপাইন
- জাপান(✓)
- ইন্দোনেশিয়া
- থাইল্যান্ড
১৯৭৮ সালে নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী আসনে বাংলাদেশ শক্তিশালী জাপানের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এবং জয়লাভ করে। অবশ্য ২০০০-২০০১ সালের জন্য বাংলাদেশ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়।
- সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার(✓)
- সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সােমবার
- সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় বুধবার
- সেপ্টেম্বর মাসের চতুর্থ মঙ্গলবার
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নিয়মিত বার্ষিক অধিবেশন শুরু হয় প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার এবং মধ্য ডিসেম্বর পর্যন্ত তা চলে। নিয়মিত অধিবেশন ছাড়াও সাধারণ পরিষদ জরুরি অধিবেশন ও বিশেষ অধিবেশনে মিলিত হয়।
- ১৫৬
- ১৫৭
- ১৫৮
- ১৮৮
বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্য ১৯৩ এবং সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র হলো দক্ষিণ সুদান (সদস্যপদ লাভ ১৪ জুলাই ২০১১)
- রিয়াদ
- জেদ্দা(✓)
- দামেস্ক
- মক্কা
২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬৯ মরক্কোর রাজধানী রাবাতে OIC গঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দাতে প্রতিষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, ইসলামী সম্মেলন সংস্থার বর্তমান নাম ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা।
- ব্রিটেন
- ফ্রান্স
- যুক্তরাষ্ট্র (✓)
- রাশিয়া
১৯৮৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত প্রতিরক্ষা কর্মসূচি বা Strategic Defence Initiative কর্মসূচি ঘোষণা করে। মার্কিন সিনেটর অ্যাডওয়ার্ড কেনেডি একে তারকা যুদ্ধ (Star war) বলে অভিহিত করেন।
- ওয়েস্ট মিনিস্টার অ্যাবে
- হোয়াইট হল (✓)
- মার্বেল চার্চ
- বুশ হাউজ
ব্রিটেনের প্রশাসনিক সদর দপ্তর হোয়াইট হল লন্ডনে অবস্থিত। এটি ব্রিটেনের রানীর সাবেক সরকারি বাসভবন। ওয়েস্ট মিনিস্টার অ্যাবে হলো বিখ্যাত ব্রিটিশ নাগরিকদের সমাধিস্থল। বুশ হাউজ বিবিসি'র সাবেক প্রধান কার্যালয়।
- ১৯৪২ সালের নভেম্বর মাসে
- ১৯৪৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে
- ১৯৪৫ সালের মে মাসে(✓)
- ১৯৪৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে
১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল হিটলার আত্মহত্যা করলে জার্মানির পতন ঘটে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে জার্মানি ৭ মে ১৯৪৫ সোভিয়েত জেনারেল জর্জ জোকভের নিকট আত্মসমর্পণ করে।
- কাশাভুবুু
- প্যাট্রিস লুমুম্বা(✓)
- শােম্বে
- মবুতু
কঙ্গোতে দখলদার ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদ আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন প্যাট্রিক লুমুম্বা। তিনি জয়লাভ করলে কঙ্গো স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- ১৯৪৫ সালের আগস্ট মাসে(✓)
- ১৯৪৫ সালের মে মাসে
- ১৯৪৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে
- ১৯৪৪ সালের আগস্ট মাসে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৪৫ সালের ৬ অগেস্ট হিরোশিমায় ‘লিটলবয়’ এবং ৯ আগস্ট নাগাসাকিতে 'ফ্যাটম্যান’ বোমার বিস্ফোরণ ঘটালে জাপানের পতন ত্বরান্বিত হয়।
- ওয়াশিংটন(✓)
- মস্কো
- লন্ডন
- নিউইয়র্ক
IMF (International Monetary Fund)- এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে। ১-২২ জুলাই ১৯৪৪ ব্রেটন উডসের জাতিসংঘ মনিটারি এন্ড ফিনান্সিয়াল কনফারেন্সে IMF গঠিত হয়। কার্যক্রম শুরু করে ১৯৪৭ সালের ১ মার্চ থেকে।
- ইউনিটা
- সান্ডিনিস্টা
- কন্ট্রা(✓)
- সােয়াপাে
মধ্য আমেরিকার হ্রদ ও আগ্নেয়গিরির দেশ নিকারাগুয়ার বিদ্রোহী গ্রুপ কন্ট্রা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনপুষ্ট। ১৯৯০ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ এ ৭৪. অঞ্চলে শান্তি আনয়নে গঠন করে মধ্য আমেরিকায় জাতিসংঘ পর্যবেক্ষক দল (ONUCA) এবং পর্যবেক্ষক দলটি কন্ট্রা বিদ্রোহীদের স্বেচ্ছা বিলুপ্তি তদারক করে। ফলশ্রুতিতে হন্ডুরাস ও নিকারাগুয়ায় প্রায় ২২ হাজার কন্ট্রা বিদ্রোহী জাতিসংঘ পর্যবেক্ষকদের কাছে অস্ত্র সমর্পণ করে।
- ইরান
- ইরাক(✓)
- মিশর
- সিরিয়া
'ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান’ ইরাকে অবস্থিত। রাজা নেবুচাদনেজার তার স্ত্রীর মনোরঞ্জনের জন্য প্রায় ৩০০ মিটার উঁচু এ উদ্যান নির্মাণ করেন।
- ইতালি
- স্পেন
- তুরস্ক(✓)
- গ্রিস
ইতিহাসখ্যাত ট্রয় নগরী তুরস্কে অবস্থিত। ট্রয় নগরীর সাথে মহাবীর হেক্টরের বীরত্ব ও আত্মত্যাগের ইতিহাস জড়িয়ে আছে। সুন্দরী হেলেনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত এ যুদ্ধে হেক্টরকে পরাস্ত করে গ্রিকরা ট্রয় নগরী দখল করে আগুন ধরিয়ে দেয়।
- পারমাণবিক জ্বালানি
- পিট কয়লা
- ফুয়েল সেল
- সূর্য (✓)
- রান্নার জন্য তাপ নয় চাপও কাজে লাগে
- বদ্ধপাত্রে তাপ সংরক্ষিত হয়
- উচ্চ চাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায় (✓)
- সঞ্চিত বাষ্পের তাপ রান্নার সহায়ক।
- লাল, হলুদ, নীল
- লাল, কমলা, বেগুনি
- হলুদ, সবুজ, নীল
- লাল, নীল, সবুজ (✓)
- মূল মধ্যরেখা
- কর্কটক্রান্তি রেখা(✓)
- মকরক্রান্তি রেখা।
- আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
- মাঝে মা ঝে পানির উপর নাক তুলে
- পানিতে অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন বিশ্লিষ্ট করে।
- পটকার মধ্যে জমানাে বাতাস হতে
- পানির মধ্যে দ্রবীভূত বাতাস হতে(✓)
- ভিটামিন এ
- ভিটামিন সি
- লোহা(✓)
- ক্যালসিয়াম
- তামার দণ্ড ও দস্তার পাত
- তামার পাত ও দস্তার পাতা
- কার্বণ দণ্ড ও দস্তার কৌটা(✓)
- তামার দণ্ড ও দস্তার কৌটার
সাধারণ ড্রাইসেলে কার্বন দণ্ড ধনাত্বক পাত এবং দস্তার কৌটা ঋনাত্বক পাত হিসাবে ব্যবহৃত হয়। কার্বন দণ্ডের চারপাশে থাকে কার্বন গুড়ো এবং ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইড। ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইড ছদন নিবারক হিসাবে কাজ করে। দস্তার কৌটা এবং কার্বন গুড়ো ও ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইডের মাঝে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইডের ঘন পেস্ট থাকে যা বিদ্যুৎ উত্তেজক হিসাবে কাজ করে। ড্রাই সেল শুস্ক কোষ নামেও পরিচিত।
- এতে বিদ্যুতের অপচয় কম হয়(✓)
- পথে কমে গিয়েও প্রয়ােজনীয় ভােল্টেজ বজায় থাকে
- অধিক বিদ্যুৎ প্রবাহ পাওয়া যায়
- প্রয়ােজনমত ভােল্টেজ কমিয়ে ব্যবহার করা যায়
বিদ্যুৎ পরিবহনে যে তার ব্যবহৃত হয় তার রোধ আছে। রোধের কারণে তড়িৎ প্রবাহের সময় তড়িৎ শক্তি তাপ শক্তি হিসেবে অপচয় হয়। দূরত্ব যত বেশি হয়, অপচয়ও তত বেশি হয়। সেজন্য অধিক দূরত্বে তড়িৎ প্রেরণে তড়িৎ প্রবাহ কমিয়ে ভোল্টেজ বাড়ানো হয় যাতে অপচয় কম হয়।
- তামা ও টিন।
- তামা ও দস্তা(✓)
- তামা ও নিকেল
- তামা ও সীসা
সংকর ধাতু পিতলের উপাদান হল - তামা ও দস্তা।
দুই বা ততোধিক সংমিশ্রণে গঠিত সমসত্ব ও অসমসত্ব কঠিন পদার্থ কে সংকর ধাতু বলে। সংকর ধাতু পিতলের উপাদান হলো তামা ও দস্তা। তামা ও টিন মিশিয়ে ব্রোঞ্জ বা কাসা প্রস্তুত করা হয়।
- অক্সিজেন ও গ্লুকোজ(✓)
- অক্সিজেন ও রক্তের আমিষ
- ইউরিয়া ও গ্লুকোজ
- এমাইনাে এসিড ও কার্বন ডাই-অক্সাইড
- মাধ্যাকর্ষণ বলের জন্য
- মহাকর্ষ বলের জন্য(✓)
- আমরা স্থির থাকার জন্য
- পৃথিবীর সঙ্গে আমাদের আবর্তনের জন্য
পৃথিবী তার কেন্দ্রাভিমুখে সকল বস্তুকে যে বল দ্বারা আকর্ষণ করে সেই বলকে অভিকর্ষ বল বা মাধ্যাকর্ষণ বল বলে। সর্বপ্রথম নিউটন অভিকর্ষজ বল সম্পর্কে ধারণা দিয়েছিলেন। এই সৌরজগতের যে কোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ বল কাজ করে তাকে মহাকর্ষীয় বল বলে। আর এই দুটি বস্তুর মধ্যে একটি যদি পৃথিবী হয় তখনি এই বলকে অভিকর্ষজ বল বলে। অভিকর্ষজ বল “মাধ্যাকর্ষণ শক্তি” নামেও সাধারণের কাছে পরিচিত, যদিও বল ও শক্তি এক জিনিস নয়
- পেট্রোল
- কয়লা
- প্রাকৃতিক গ্যাস
- বায়ােগ্যাস (✓)
- তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে
- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে
- তাপশক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে
- তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে(✓)
- অয়ন বায়ু
- প্রত্যয় বায়ু
- মৌসুমী বায়ু
- নিয়ত বায়ু(✓)
- এরা অনেক ছােট হয়
- কাণ্ডে বায়ুকুঠরী থাকে(✓)
- এরা পানিতে জন্মে
- পাতা অনেক কম থাকে
এই অংশের সমাধান PDF আকারে দেওয়া হলো।